Header Ads

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

 মূল পাঠ

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

– মাইকেল মধুসূদন দত্ত

 

বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে।

করুণার সিন্ধু তুমি, সেই জানে মনে,

দীন যে, দীনের বন্ধু! উজ্জ্বল জগতে

হেমাদ্রির হেম-কান্তি অম্লান কিরণে।

কিন্তু ভাগ্য-বলে পেয়ে সে মহা পর্ব্বতে,

যে জন আশ্রয় লয় সুবর্ণ চরণে,

সেই জানে কত গুণ ধরে কত মতে গিরীশ।

কি সেবা তার সে সুখ-সদনে!-

দানে বারি নদীরূপ বিমলা কিঙ্করী;

যোগায় অমৃত ফল পরম আদরে

দীর্ঘ-শিরঃ তরু-দল, দাসরূপ ধরি;

পরিমলে ফুল-কুল দশ দিশ ভরে;

দিবসে শীতল শ্বাসী ছায়া, বনেশ্বরী,

নিশায় সুশান্ত নিদ্রা, ক্লান্তি দূর করে!

 

ক। কবি পরিচিতি

মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, নাট্যকার ও মহাকাব্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার (বর্তমান বাংলাদেশ) সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত এবং মাতার নাম জাহ্নবী দেবী। তিনি কলকাতার হিন্দু কলেজে শিক্ষালাভ করেন। পাশ্চাত্য সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণের কারণে তিনি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন এবং নিজের নামের সঙ্গে “মাইকেল” যুক্ত করেন। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূচনা এবং নতুন কাব্যরীতির প্রবর্তনের জন্য তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয়। তিনি “মধুকবি” নামে পরিচিত। ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

 

খ। সাহিত্যকর্ম


মহাকাব্য ও কাব্য

তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য ১৮৬০

মেঘনাদবধ কাব্য ১৮৬১

ব্রজাঙ্গনা ১৮৬১

বীরাঙ্গনা ১৮৬২

নাটক

নাটকের নাম প্রকাশ/মঞ্চস্থ সাল

শর্মিষ্ঠা ১৮৫৯

পদ্মাবতী ১৮৬০

কৃষ্ণকুমারী ১৮৬১

প্রহসন

একেই কি বলে সভ্যতা ১৮৬০

বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ ১৮৬০

সনেট

চতুর্দশপদী কবিতাবলী ১৮৬৬


 

গ। বাংলা সাহিত্যে অবদান

১. বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রচলন করেন।

২. বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচনা করেন।

৩. বাংলা সনেট সাহিত্যের সূচনা করেন।

৪. নাটক ও প্রহসনের মাধ্যমে বাংলা নাট্যসাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন।

৫. বাংলা সাহিত্যে আধুনিক চিন্তা, মানবতাবাদ ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।

৬. বাংলা ভাষার প্রকাশক্ষমতা ও কাব্যিক সৌন্দর্যকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করেন।

৭. পুরাণের চরিত্রগুলিকে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করে সাহিত্যকে আধুনিক রূপ দেন।

 

ঘ। কবিতাটির উৎস :–

কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত চতুর্দশপদী কবিতাবলি। এই গ্রন্থের ১০২ টি কবিতার মধ্যে ৮৬ সংখ্যক কবিতা হলো ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

মাইকেল মধুসূদন দত্তের সমস্ত চতুর্দশপদী বা সনেটধর্মী কবিতাগুলি লেখা হয় ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে।

আর ১৮৬৬ খ্রীষ্টাব্দে নামক গ্রন্থ আকারে স্টেন হোপ প্রেস থেকে প্রকাশিত হয় এবং প্রকাশক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বসু

 

ঙ। সামগ্রিক আলোচনা

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর” কবিতাটি মূলত বিদ্যাসাগরের জ্ঞান, দয়া, মানবপ্রেম ও দানশীলতার এক অসাধারণ প্রশস্তিগান। কবি তাঁর অন্তরের গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এই কবিতার মাধ্যমে।

কবিতার শুরুতেই কবি বিদ্যাসাগরকে “বিদ্যার সাগর” বলে অভিহিত করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে বিদ্যাসাগর ছিলেন জ্ঞানের এক অফুরন্ত ভাণ্ডার। তাঁর পাণ্ডিত্য শুধু বাংলায় নয়, সমগ্র ভারতবর্ষে সুপরিচিত ছিল। কিন্তু বিদ্যাসাগরের মহত্ত্ব কেবল তাঁর বিদ্যায় সীমাবদ্ধ ছিল না; তিনি ছিলেন “করুণার সিন্ধু”, অর্থাৎ দয়া ও মানবতার এক বিশাল সমুদ্র। বিশেষত দরিদ্র, অসহায় ও নিপীড়িত মানুষের প্রতি তাঁর অগাধ সহানুভূতি ছিল। তাই কবি বলেছেন, যিনি দীন-দুঃখীর বন্ধু, তাঁর প্রকৃত মহত্ত্ব কেবল সেইসব মানুষই উপলব্ধি করতে পারে, যারা তাঁর সাহায্য ও স্নেহ লাভ করেছে।

এরপর কবি বিদ্যাসাগরকে হিমালয়ের মতো এক মহৎ পর্বতের সঙ্গে তুলনা করেছেন। দূর থেকে আমরা যেমন একটি পর্বতের শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখতে পাই, তেমনি বিদ্যাসাগরের মহত্ত্বেরও কেবল সামান্য অংশই সাধারণ মানুষ উপলব্ধি করতে পারে। কিন্তু যারা তাঁর সান্নিধ্যে এসেছে, তাঁর আশ্রয় পেয়েছে, তারাই জানে তাঁর চরিত্রে কত অসংখ্য গুণ ও মহিমা লুকিয়ে ছিল।

কবি আরও দেখিয়েছেন যে বিদ্যাসাগরের আশ্রয় যেন এক সুখের আবাস। যেমন একটি পর্বত তার চারপাশের মানুষকে নানা উপকার করে—নদীর মাধ্যমে জল দেয়, বৃক্ষের মাধ্যমে ফল দেয়, ফুলের মাধ্যমে সুগন্ধ ছড়ায় এবং ছায়া দিয়ে ক্লান্তি দূর করে—তেমনি বিদ্যাসাগরও সমাজকে জ্ঞান, দয়া, অর্থসাহায্য ও মানবিকতার মাধ্যমে উপকৃত করেছেন। তাঁর দান ছিল নদীর জলের মতো অবিরাম ও নির্মল। তিনি শুধু অর্থ দান করেননি; শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের আলো ছড়িয়ে অসংখ্য মানুষের জীবন আলোকিত করেছেন।

কবিতার শেষাংশে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদানের সাহায্যে কবি বিদ্যাসাগরের উপকারিতা ও মমত্ববোধের চিত্র এঁকেছেন। যেমন বৃক্ষ ফল দিয়ে, ফুল সুগন্ধ দিয়ে এবং ছায়া দিয়ে মানুষকে সুখ দেয়, তেমনি বিদ্যাসাগর তাঁর কর্ম, দান ও ভালোবাসার মাধ্যমে মানুষের জীবনকে শান্তি ও স্বস্তিতে ভরিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর সান্নিধ্যে মানুষ নিরাপত্তা, প্রশান্তি ও আশ্রয়ের অনুভূতি পেত।

 

চ। সারমর্ম

“ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর” কবিতায় মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিদ্যাসাগরের জ্ঞান, দয়া, উদারতা ও মানবপ্রেমের প্রশংসা করেছেন। তিনি বিদ্যাসাগরকে জ্ঞানের সাগর, দয়ার সমুদ্র এবং হিমালয়ের মতো মহৎ ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিত্রিত করেছেন। কবিতাটি আমাদের শেখায় যে প্রকৃত মহত্ত্ব কেবল বিদ্যায় নয়, মানবসেবায় এবং মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার মধ্যেই নিহিত। বিদ্যাসাগরের জীবন ও আদর্শ আজও সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

 

 

১. বৈকল্পিক প্রশ্নোত্তর (MCQ)

১. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থভুক্ত?

ক) মেঘনাদবধ কাব্য       খ) বীরাঙ্গনা      গ) চতুর্দশপদী কবিতাবলী         ঘ) ব্রজাঙ্গনা

২. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কোন জাতীয় কবিতা?

ক) মহাকাব্য       খ) গীতিধর্মী     গ) সনেট জাতীয়         ঘ) শোকধর্মী

৩. সনেটে মোট কয়টি পংক্তি থাকে?

ক) ১২    খ) ১৪  গ) ১৬  ঘ) ১৮

৪. সনেটের প্রথম আটটি চরণকে কী বলে?

ক) ষষ্ঠক  খ) চতুষ্ক         গ) অষ্টক        ঘ) দ্বিপদী

৫. সনেটের শেষ ছয়টি চরণকে কী বলে?

ক) অষ্টক  খ) চতুষ্ক         গ) ত্রিপদী       ঘ) ষষ্ঠক

৬. সনেটের জনক কে?

ক) শেক্সপিয়র      খ) দান্তে         গ) পেত্রার্ক      ঘ) মিল্টন

৭. বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?

ক) বঙ্কিমচন্দ্র       খ) রবীন্দ্রনাথ    গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত         ঘ) বিদ্যাসাগর

৮. ‘মধুসূদনের অমর সৃষ্টি’ বলা হয় কোন কাব্যকে?

ক) বীরাঙ্গনা         খ) তিলোত্তমাসম্ভব        গ) মেঘনাদবধ কাব্য      ঘ) ব্রজাঙ্গনা

৯. মধুসূদনের একটি পত্রকাব্যের নাম কী?

ক) বীরাঙ্গনা        খ) কৃষ্ণকুমারী           গ) শর্মিষ্ঠা       ঘ) পদ্মাবতী

১০. মধুসূদনের প্রথম সাহিত্যিক আত্মপ্রকাশ কোন ভাষায়?

ক) বাংলা           খ) সংস্কৃত               গ) ইংরেজি      ঘ) ফরাসি

১১. ‘করুণার সিন্ধু’ বলে কাকে উল্লেখ করা হয়েছে?

ক) মাইকেল মধুসূদন        খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর   গ) বঙ্কিমচন্দ্র     ঘ) রাজনারায়ণ

১২. ‘দীনের বন্ধু’ কে?

ক) বিদ্যাসাগর      খ) কবি         গ) গিরিশ       ঘ) বনেশ্বরী

১৩. ‘সিন্ধু’ শব্দের অর্থ কী?

ক) নদী            খ) হ্রদ          গ) সমুদ্র         ঘ) জলপ্রপাত

১৪. ‘কিঙ্করী’ শব্দের অর্থ কী?

ক) সেবক          খ) দাসী         গ) বন্ধু          ঘ) সহচরী

১৫. ‘পরিমল’ শব্দের অর্থ কী?

ক) আলো          খ) ছায়া         গ) সুগন্ধ        ঘ) বাতাস

 

 

 

২. স্তম্ভ মেলাও (Matching)

প্রশ্ন ১


স্তম্ভ-A

স্তম্ভ-B

(a) অষ্টক

(i) শেষ ৬ চরণ

(b) ষষ্ঠক

(ii) প্রথম ৮ চরণ

(c) সনেট

(iii) ১৪ পংক্তি

(d) পেত্রার্ক

(iv) সনেটের জনক

উত্তর:

ক) a-ii, b-i, c-iii, d-iv

খ) a-ii, b- iv, c-iii, d-i

গ) a-ii, b-i, c- iv, d-iii

ঘ) a-i, b-ii, c-iii, d-iv


 প্রশ্ন ২


স্তম্ভ-A

স্তম্ভ-B

(a) করুণার সিন্ধু

(i) সুগন্ধ

(b) পরিমল

(ii) বিদ্যাসাগর

(c) কিঙ্করী

(iii) দাসী

(d) সিন্ধু

(iv) সমুদ্র

উত্তর:

ক) a-i, b-ii, c-iii, d-iv

খ) a-ii, b- iv, c-iii, d-i

গ) a-ii, b-i, c- iv, d-iii

ঘ) a-ii, b-i, c-iii, d-iv


 প্রশ্ন ৩


স্তম্ভ-A

স্তম্ভ-B

(a) মেঘনাদবধ কাব্য

(i) নতুন ছন্দ

(b) বীরাঙ্গনা

(ii) ফ্রান্সে রচিত

(c) চতুর্দশপদী কবিতাবলী

(iii) অমর সৃষ্টি

(d) অমিত্রাক্ষর

(iv) পত্রকাব্য

উত্তর:

ক) a-i, b-ii, c-iii, d-iv

খ) a-ii, b- iv, c-iii, d-i

গ) a- iii, b-iv, c-ii, d-i

ঘ) a-iii, b-i, c-ii, d-iv


 

 

৩. কারণ ও মন্তব্য (Assertion-Reason)

১. মন্তব্য (A): ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি সনেট জাতীয় কবিতা।
কারণ (R): কবিতাটিতে ১৪টি পংক্তি রয়েছে।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

২. মন্তব্য (A): বিদ্যাসাগরকে ‘করুণার সিন্ধু’ বলা হয়েছে।
কারণ (R): তিনি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সাহায্য করতেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৩. মন্তব্য (A): কবিতায় বিদ্যাসাগরের তুলনা হিমালয়ের সঙ্গে করা হয়েছে।
কারণ (R): তাঁর জ্ঞান, মহত্ত্ব ও উদারতা হিমালয়ের মতো কঠিন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৪. মন্তব্য (A): ‘তরু-দল’ অমৃত ফল যোগায়।
কারণ (R): কবিতায় তরু-দলকে মানুষের কল্যাণকারী শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা

খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৫. মন্তব্য (A): মধুসূদন বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক।
কারণ (R): তিনি ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ রচনা করেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা

খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৬. মন্তব্য (A): ‘দীনের বন্ধু’ বলতে বিদ্যাসাগরকে বোঝানো হয়েছে।
কারণ (R): বিদ্যাসাগর দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা

খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৭. মন্তব্য (A): ‘সিন্ধু’ শব্দের অর্থ সমুদ্র।
কারণ (R): বিদ্যাসাগরের দয়ার গভীরতা বোঝাতে ‘সিন্ধু’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা

খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৮. মন্তব্য (A): ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ ফ্রান্সে রচিত।
কারণ (R): মধুসূদন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে অবস্থানকালে সনেটগুলি লেখেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা

খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

 উত্তর মিলাও –

১. বৈকল্পিক প্রশ্নোত্তর (MCQ)

১/গ, ২/গ, ৩/খ, ৪/গ, ৫/ঘ, ৬/গ, ৭/গ, ৮/গ, ৯/ক, ১০/গ, ১১/খ, ১২/ক, ১৩/গ, ১৪/খ, ১৫/গ

২. স্তম্ভ মেলাও (Matching)

১/ক, ২/ঘ, ৩/গ

 

৩. কারণ ও মন্তব্য (Assertion-Reason)

১/ক, ২/ক, ৩/গ, ৪/ক, ৫/ক, ৬/ক, ৭/ক, ৮/ক,  

 

 

 

বিষয় ভিত্তিক অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ

১) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবিতাটি কী জাতীয় কবিতা?
উত্তর: সনেট জাতীয় কবিতা।

২) সনেট কী?
উত্তর: সমদৈর্ঘ্যের ১৪ পংক্তির কবিতা।

৩) সনেটের চরণবিন্যাসের প্রথম ৮ লাইনকে কী বলা হয়?
উত্তর: অষ্টক।

৪) সনেটের চরণবিন্যাসের শেষ ৬ লাইনকে কী বলা হয়?
উত্তর: ষষ্ঠক।

৫) সনেটের জনক কে?
উত্তর: ইতালির কবি পেত্রার্ক।

৬) মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলায় কোন ছন্দের প্রবর্তন ঘটান?
উত্তর: অমিত্রাক্ষর ছন্দের।

৭) মধুসূদনের অমর সৃষ্টি বলা হয় কোন কাব্যকে?
উত্তর: মেঘনাদবধ কাব্যকে।

৮) মধুসূদন দত্তের একটি পত্রকাব্যের নাম লেখ।
উত্তর: বীরাঙ্গনা কাব্য।

৯) কোন ভাষাকে মাধ্যম করে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল?
উত্তর: ইংরেজি ভাষায়।

১০) Timothy Penpoem ছদ্মনামে মধুসূদন কোন কবিতা লেখেন?
উত্তর: The Captive Ladie।

১১) মধুসূদন কোন নগরীতে বসে তাঁর সনেটগুলি লিখেছিলেন?
উত্তর: ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে।

১২) মধুসূদন দত্তের একটি প্রহসনের নাম লেখ।
উত্তর: একেই কি বলে সভ্যতা।

১৩) একটি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ পাইয়াছি, দেখিও যেন ইহা বাতাসে উড়িয়া না যায়—মধুসূদন সম্বন্ধে এই উক্তি কার?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।

১৪) চতুর্দশপদী কবিতাবলী কাব্যটি কবি কোন দেশে বসে লেখেন?
উত্তর: ফ্রান্সে।

১৫) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা?
উত্তর: অমিত্রাক্ষর ছন্দে।

১৬) অন্তর্নিহিত অর্থ বিচারে ভাগ্যবান কে?
উত্তর: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত স্বয়ং।

১৭) বিদ্যাসাগর তুমি বিখ্যাত ভারতে।—কার উদ্দেশ্যে এই স্তুতি করা হয়েছে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্দেশ্যে।

১৮) আলোচ্য কবিতায় সিন্ধু শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সমুদ্র।

১৯) দীনের বন্ধু কে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

২০) সেই জানে মনে—কে জানে?
উত্তর: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

২১) হিমাদ্রি শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: হিমালয় পর্বত।

২২) হেমকান্তি কার?
উত্তর: হিমাদ্রির।

২৩) হেমকান্তি শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: স্বর্ণের মতো উজ্জ্বল কান্তি।

২৪) হিমাদ্রির হেমকান্তি-র সঙ্গে কার তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর: বিদ্যাসাগরের জ্ঞান ও হৃদয়ের দ্যুতির।

২৫) অম্লান শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: মলিন নয়, চিরউজ্জ্বল।

২৬) কিরণ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: আলোকরশ্মি।

২৭) কে ভাগ্যবান বলে কবির মনে হয়েছে?
উত্তর: যে মহাপর্বতের সুবর্ণচরণে আশ্রয় পায়।

২৮) হিমাদ্রির হেমকান্তি অম্লান হয় কিসে?
উত্তর: কিরণে।

২৯) সদন শব্দের সমার্থক শব্দ কী?
উত্তর: গৃহ।

৩০) কিঙ্করী শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: দাসী।

৩১–১০০ নম্বর প্রশ্নোত্তর (সংশোধিত ও পরীক্ষোপযোগী)

৩১) তরু-দল কী যোগায় বা যোগান দেয়?
উত্তর: অমৃত ফল।

৩২) বিদ্যাসাগরকে দীনের বন্ধু মনে করত কারা?
উত্তর: দীন-দরিদ্র ও অসহায় মানুষ।

৩৩) তরু-দল কী ধারণ করেছিল?
উত্তর: দাসরূপ।

৩৪) দিশ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: দিক।

৩৫) কি সেবা তার সে সুখ সদনে!—‘সে’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: গিরিশ বা মহাপর্বতকে।

৩৬) বারি শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জল।

৩৭) তরু-দল দিনে কী করে?
উত্তর: শীতল ছায়া দান করে।

৩৮) বিদ্যাসাগরের গুণাবলিকে কার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর: গিরিশ বা হিমালয় পর্বতের সঙ্গে।

৩৯) পরিমল শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সুগন্ধ।

৪০) বিমলা শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: নির্মল বা পবিত্র।

৪১) দিবস শব্দটির বিপরীত শব্দ কী?
উত্তর: নিশা।

৪২) সুখ সদন শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: সুখের আবাস বা আনন্দময় আশ্রয়স্থল।

৪৩) সেই জানে...—কি জানে?
উত্তর: মহাপর্বতের অসংখ্য গুণ জানে।

৪৪) যে জন আশ্রয় লয়...—কোথায় আশ্রয় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: মহাপর্বতের সুবর্ণচরণে।

৪৫) কবিতায় কাকে করুণার সিন্ধু বলা হয়েছে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

৪৬) কি সেবা তার সে সুখ সদনে—কোন সুখ সদনের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: মহাপর্বতের আশ্রয়রূপ সুখের আবাসের কথা।

৪৭) বিদ্যাসাগরের সুমহান হৃদয়কে কোন পর্বতের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর: হিমালয় পর্বতের সঙ্গে।

৪৮) কি সেবা তার সে সুখ সদনে—কার সুখ সদনের সেবার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: গিরিশের বা মহাপর্বতের।

৪৯) দানে বারি—কে বারি দান করে?
উত্তর: নদী।

৫০) বিমলা কিঙ্করী বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: নদীর নির্মল সেবাদাসী রূপকে।

৫১) যোগায় অমৃত ফল—কে যোগায়?
উত্তর: দীর্ঘশির তরুদল।

৫২) কবিতায় অমৃত ফল বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: বিদ্যাসাগরের অকৃপণ দান ও উপকার।

৫৩) কারা পরিমলে দশ দিশ ভরিয়ে তোলে?
উত্তর: ফুলকুল।

৫৪) দিবসে শীতল শ্বাসী ছায়া দান করে কে?
উত্তর: বনেশ্বরী।

৫৫) বনেশ্বরী রাত্রিতে কী দান করে?
উত্তর: সুশান্ত নিদ্রা।

৫৬) কিসের দ্বারা ক্লান্তি দূরীভূত হয়?
উত্তর: সুশান্ত নিদ্রার দ্বারা।

৫৭) কবিতায় শীতল শ্বাসী শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: শীতল বাতাসযুক্ত।

৫৮) ______ তুমি বিখ্যাত ভারতে।
উত্তর: বিদ্যার সাগর।

৫৯) দানে বারি নদীরূপ _____।
উত্তর: বিমলা কিঙ্করী।

৬০) উজ্জ্বল জগতে _______।
উত্তর: হেমাদ্রির হেম-কান্তি।

৬১) পর্বতের প্রকৃত গুণ কে বুঝতে পারে?
উত্তর: যে তার সুবর্ণচরণে আশ্রয় নেয়।

৬২) তরুদল কীভাবে অমৃত ফল যোগান দেয়?
উত্তর: পরম আদরে।

৬৩) যে তরুদল পরম আদরে অমৃত ফল যোগান দেয় তারা কেমন?
উত্তর: দীর্ঘশির।

৬৪) নিশায় _____ নিদ্রা, ক্লান্তি দূর করে।
উত্তর: সুশান্ত।

৬৫) ______। কি সেবা তার সে সুখ সদনে!
উত্তর: গিরিশ।

৬৬) বনেশ্বরীর ন্যায় কে কবিকে তাঁর দুর্দিনে আশ্রয় দিয়েছিলেন?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

৬৭) কাকে উদ্দেশ্য করে কবিতাটি লেখা হয়েছে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

৬৮) কবিতায় কাকে সাগর বলা হয়েছে?
উত্তর: বিদ্যাসাগরকে।

৬৯) কবি কেন বিদ্যাসাগরকে করুণার সিন্ধু বলেছেন?
উত্তর: তাঁর অসীম দয়া ও মানবপ্রেমের জন্য।

৭০) দীন শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: দরিদ্র, অসহায় বা দুঃখী মানুষ।

৭১) হেমাদ্রির হেম-কান্তি অম্লান কিরণে—এই পংক্তির অর্থ কী?
উত্তর: হিমালয়ের স্বর্ণময় জ্যোতি যেমন চিরউজ্জ্বল, বিদ্যাসাগরের মহত্ত্বও তেমনি চিরস্থায়ী।

৭২) কবিতায় বিদ্যাসাগরকে আর কী বলা হয়েছে?
উত্তর: দীনের বন্ধু।

৭৩) বিদ্যাসাগরের গুণাবলি কেমন?
উত্তর: অম্লান ও চিরউজ্জ্বল।

৭৪) বিদ্যাসাগর কার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন?
উত্তর: দীন-দুঃখী মানুষের জন্য।

৭৫) বিদ্যাসাগরের মতো আর কার গুণ অম্লান?
উত্তর: হিমালয়ের।

৭৬) কবিতার মূল বিষয় কী?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মহত্ত্ব, দানশীলতা ও মানবপ্রেমের প্রশংসা।

৭৭) করুণার সিন্ধু উপমার মাধ্যমে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

৭৮) হেমাদ্রির হেম-কান্তি অম্লান কিরণে—পংক্তিটি কী নির্দেশ করে?
উত্তর: বিদ্যাসাগরের চিরস্থায়ী মহত্ত্বকে।

৭৯) মহা পর্বতে শব্দ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: মহান ব্যক্তিত্ব ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

৮০) সুবর্ণ চরণে শব্দ দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পবিত্র ও মহৎ আশ্রয়কে।

৮১) গিরীশ শব্দ দ্বারা কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পর্বতরাজ হিমালয়কে।

৮২) সেবা শব্দটি এখানে কার প্রতি নির্দেশ করে?
উত্তর: গিরিশ বা মহাপর্বতের প্রতি।

৮৩) “কিন্তু ভাগ্য বলে... সে সুখ সদনে”—এই পংক্তিগুলোর মূল বিষয় কী?
উত্তর: মহান ব্যক্তির আশ্রয়লাভের সৌভাগ্য।

৮৪) মহা পর্বত কাকে বোঝায়?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে।

৮৫) সুবর্ণ চরণ কার?
উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের।

৮৬) সুখ সদন কোথায় আছে?
উত্তর: বিদ্যাসাগরের আশ্রয়ে।

৮৭) দানে বারি নদীরূপ বিমলা কিঙ্করী—পংক্তিটির অর্থ কী?
উত্তর: নদী নির্মল দাসীর মতো জল দিয়ে পর্বতের সেবা করে।

৮৮) অমৃত ফল দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: কল্যাণ, উপকার ও মহৎ দান।

৮৯) কবিতার এই অংশের মূল বিষয়বস্তু কী?
উত্তর: বিদ্যাসাগরের দানশীলতা ও উপকারিতা।

৯০) কিঙ্করী শব্দটি কার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: নদীর জন্য।

৯১) দিবসে কী দেয়?
উত্তর: শীতল ছায়া।

৯২) নিশায় কী দেয়?
উত্তর: সুশান্ত নিদ্রা।

৯৩) দিবসে শীতল শ্বাসী ছায়া—এই পংক্তি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: দিনে শীতল ছায়া ও আরাম প্রদান।

৯৪) নিশায় সুশান্ত নিদ্রা—এই পংক্তি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: রাতে শান্তিপূর্ণ বিশ্রাম।

৯৫) কবিতার এই অংশে প্রকৃতির কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
উত্তর: প্রকৃতির উপকারিতা ও সেবামূলক রূপ।

৯৬) যে জন আশ্রয় লয় সুবর্ণ ______।
উত্তর: চরণে।

৯৭) সেই জানে কত ____ ধরে কত মতে।
উত্তর: গুণ।

৯৮) গিরীশ। কি সেবা তার সে সুখ ______।
উত্তর: সদনে।

৯৯) দানে বারি নদীরূপ বিমলা ______।
উত্তর: কিঙ্করী।

১০০) কাকে বনেশ্বরী বলা হয়েছে?
উত্তর: বনদেবীস্বরূপ বৃক্ষরাজিকে (গাছপালাকে)।

 

 

অতিরিক্ত প্রশ্নঃ  (অনুশিলনী প্রশ্ন)

 

মাইকেল মধুসূদন দত্ত : MCQ (বহুনির্বাচনী প্রশ্ন)

ক. সাধারণ MCQ

১. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
ক) ১৮২০
খ) ১৮২২
গ) ১৮২৪
ঘ) ১৮২৬

২. মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান কোথায়?
ক) কলকাতা
খ) সাগরদাঁড়ি, যশোর
গ) কৃষ্ণনগর
ঘ) বর্ধমান

৩. মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতার নাম কী?
ক) রাজনারায়ণ দত্ত
খ) রামনারায়ণ দত্ত
গ) ঈশ্বরচন্দ্র দত্ত
ঘ) গৌরদাস দত্ত

৪. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন কলেজে শিক্ষালাভ করেন?
ক) প্রেসিডেন্সি কলেজ
খ) সংস্কৃত কলেজ
গ) হিন্দু কলেজ
ঘ) সিটি কলেজ

৫. বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

৬. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর রচয়িতা কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ঘ) নবীনচন্দ্র সেন

৭. বাংলা সনেট সাহিত্যের প্রবর্তক কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) জীবনানন্দ দাশ
ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

৮. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
ক) ১৮৭১
খ) ১৮৭২
গ) ১৮৭৩
ঘ) ১৮৭৪

৯. ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ কোন সাহিত্যধারার অন্তর্গত?
ক) মহাকাব্য
খ) নাটক
গ) সনেট
ঘ) প্রহসন

১০. ‘শর্মিষ্ঠা’ কী ধরনের সাহিত্যকর্ম?
ক) উপন্যাস
খ) নাটক
গ) প্রহসন
ঘ) মহাকাব্য

 

খ. স্তম্ভ মেলাও (Matching Type)

প্রশ্ন ১

স্তম্ভ–A

স্তম্ভ–B

(a) মেঘনাদবধ কাব্য

(i) ১৮৬৬

(b) চতুর্দশপদী কবিতাবলী

(ii) ১৮৬১

(c) শর্মিষ্ঠা

(iii) ১৮৫৯

(d) তিলোত্তমাসম্ভব

(iv) ১৮৬০

সঠিক উত্তর:
(a)-ii, (b)-i, (c)-iii, (d)-iv

 

প্রশ্ন ২

স্তম্ভ–A

স্তম্ভ–B

(a) সাগরদাঁড়ি

(i) পিতা

(b) রাজনারায়ণ দত্ত

(ii) জন্মস্থান

(c) হিন্দু কলেজ

(iii) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

(d) ১৮৭৩

(iv) মৃত্যুসাল

সঠিক উত্তর:
(a)-ii, (b)-i, (c)-iii, (d)-iv

 

গ. কারণ ও মন্তব্য (Assertion-Reason Type)

১.

মন্তব্য (A): মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
কারণ (R): তিনি ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ সফলভাবে ব্যবহার করেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

২. মন্তব্য (A): মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সনেটের প্রবর্তক।
কারণ (R): তিনি ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ রচনা করেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৩. মন্তব্য (A): মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম কলকাতায়।
কারণ (R): তিনি হিন্দু কলেজে শিক্ষালাভ করেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য
খ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
গ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য
ঘ) A ও R উভয়ই মিথ্যা

 

৪. মন্তব্য (A): ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
কারণ (R): এতে রাবণপুত্র মেঘনাদকে নায়কোচিত মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

 

৫. মন্তব্য (A): মাইকেল মধুসূদন দত্ত পাশ্চাত্য সাহিত্য দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন।
কারণ (R): তিনি গ্রিক, ল্যাটিন ও ইংরেজি সাহিত্য গভীরভাবে অধ্যয়ন করেছিলেন।

ক) A ও R উভয়ই সত্য এবং R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা
খ) A ও R উভয়ই সত্য কিন্তু R, A-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
গ) A সত্য কিন্তু R মিথ্যা
ঘ) A মিথ্যা কিন্তু R সত্য

No comments

Powered by Blogger.